টঙ্গীতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পুলিশ সন্ত্রাসী গুলি বিনিময়, আহত ৩ আগ্নেয়াস্ত্রসহ গুলি উদ্ধার

0
192

টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধিক হত্যা মামলার আসামী ইমরান হোসেন ওরফে হাতকাটা ইমরান (২৪) কে গত বুধবার রাতে স্থানীয় দত্তপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর তার তথ্যমতে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে ইমরানের সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে ইমরান আহত হয়েছে। আহত সন্ত্রাসী ইমরানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৪ টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। এসময় পুলিশের দুই সদস্য কনষ্টবল আতাহার আলী ও ফজলুল হক আহত হয়েছেন বলে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ দাবী করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাত সোয়া ১০ টায় টঙ্গী মডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ তালুকদারের নেতৃতে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গীর দত্তপাড়াস্থ যোবায়ের মাষ্টারে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একাধিক অস্ত্র মামলাসহ হাতকাটা ও হত্যা মামলার আসামী টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমরান হোসেন ওরফে হাতকাটা ইমরানকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে জিগ্গাসাবাদ শেষে রাত পৌনে ১২ টায় তার স্বীকারোক্তি মতে থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ তালুকদারের নেতৃত্বে অফির্সাস তদন্ত মোঃ আমিনুল ইসলাম, এসআই সুমন ভক্ত, এসআই বেলাল, এসআই জহিরুলসহ একদল পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে থানা থেকে চেরাগআলী হয়ে শৈলারগাতীস্থ সামছুর বাড়ির সামনে পৌছালে সন্ত্রাসী ইমরানের সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা চালায় এবং এলোপাথারী গুলি ছুঁড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছাঁড়লে গ্রেফতারকৃত ইমরান হোসেন ওরফে হাতকাটা ইমরানের দুই পায়ের উরুতে গুলি বিদ্ধ হয়ে মাঠিতে লুঠিয়ে পড়ে। পড়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত ১ বিদেশী পিস্তলসহ তাজা ২ রাউন্ড গুলি এবং দেশীয় ১ টি শাটারগান, ১ টি অন শুটার, ১ টি পাইপগান উদ্ধার করেছে। সন্ত্রাসী ইমরান হোসেন নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানা এলাকার উত্তর আলগী গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে । সে টঙ্গীর দত্তপাড়াস্থ যোবায়ের মাষ্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

এলাকাবাসী জানায়, সন্ত্রাসী ইমরান হোসেন দুধর্ষ একজন সন্ত্রাসী। ইমরান হোসেন তার প্রতিপক্ষ দু’জনের ৪ হাত কেটে গলায় ঝুলিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে আনন্দ উল্লাস করে বেড়াতো, তার ভয়ে এলাকাবাসী সব সময় আতংকিত থাকতো। তাকে গ্রেফতারে এলাকাবাসীর মনে স্বস্থির নিঃস্বাস ফিরে এসেছে। তার সহযোগী বাঘা ও স¤্রাটকেও অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী করে এলাকাবাসী।

এব্যাপারে টঙ্গী মডেল থানার অফির্সাস ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ তালুকদারের সরকারী মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে অফির্সাস তদন্ত মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ইমরান হোসেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাসহ হাতকাটা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। তার সহযোগীদেরও গ্রেফতারের পক্রিয়া চলছে।

NO COMMENTS